দেশে প্রতি বছরে প্রায় ২০ লাখ টন চিনি লাগে, এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় চিনিকলগুলো থেকে আসে এক লাখ টনের মত, বাকিটা আমদানি করতে হয়। বাজারে চিনির সংকটের মধ্যেই সরকারি কারখানায় উৎপাদিত চিনির কেজিতে ১৪ টাকা বাড়ানো হয়েছে ।
আমদানি করা চিনির পর এবার দাম বেড়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত মালিকানাধীন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) উৎপাদিত দেশি চিনির।
আন্তর্জাতিক ও দেশীয় চিনির বাজার মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশি প্যাকেটজাত এক কেজি চিনির দাম ৮৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কোনো বিক্রেতা এর থেকে বেশি দামে দেশি চিনি বিক্রি করতে পারবেন না।
দীর্ঘদিন যাবত ক্রেতারা চিনির সংকটে ভুগছে । কোথাও চিনি মিলছে না । এর মধ্যে চিনির বাড়তি দাম জনগণকে ফেলবে চরম ভোগান্তিতে ।
Leave a Reply