ইন্দোনেশিয়ায় জাভা দ্বীপে সোমবারের ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৬৮ জনে দাঁড়িয়েছে। শতাধিক মানুষ এখনও নিখোঁজ।
স্কুলে শিশুরা একসঙ্গে শ্রেণিকক্ষে বসে লেখাপড়া করার সময়ই শুরু হয় ভূমিকম্প। একাধিক শ্রেণিকক্ষ ধসে পড়লে ধ্বংসস্তুপের নিচে চাপা পড়ে তারা। যে কারণে ইন্দোনেশিয়ার জাভায় সোমবারের ভূমিকম্পে হতাহতদের মধ্যে শিশুর সংখ্যাই বেশি বলে জানিয়েছে উদ্ধারকারীরা।
সোমবার (২১ নভেম্বর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ২১ মিনিটে ইন্দোনেশিয়ায় আঘাত হানে ৫ দশমিক ৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ তথ্য অনুসারে, ৫ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্পটি পশ্চিম জাভার সিয়াঞ্জুর শহরে আঘাত হানে, যার গভীরতা ছিলো ১০ কিলোমিটার (ছয় মাইল)।
ইন্দোনেশিয়ার সিয়ানজুর শহর ছিল ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল। প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’ অবস্থানে ইন্দোনেশিয়া থাকায় সেখানে প্রায়ই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির সক্রিয়তা দেখা যায়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি জাকার্তায় কয়েক সেকেন্ড ধরে অনুভূত হয়েছে। এ সময় নগরীর প্রধান বাণিজ্যিক এলাকার দপ্তরগুলো থেকে কিছু লোককে সরিয়ে নেওয়া হয়।
জাতীয় দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা সংস্থার বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সিয়ানজুর এলাকায় বেশ কয়েকটি বাড়ি ও একটি মাদ্রাসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যোগাযোগও বিঘ্নিত হচ্ছে। ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত জানতে কর্মকর্তারা অনুসন্ধান অব্যাহত রেখেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়েছে সিয়ানজুর শহরের ক্ষয়ক্ষতির নানা চিত্র।
Leave a Reply